পদার্থের গঠন

আমাদের চারপাশে যত বস্তু আছে, তাদের প্রত্যেকটির নিজস্ব আণবিক গঠন রয়েছে। বিভিন্ন মৌল একত্রিত হয়ে নতুন যৌগ গঠন করেছে। এভাবে আমাদের চারপাশের জগত গঠিত হয়েছে।

সেই প্রাচীনকাল থেকে মানুষ বিভিন্ন বস্তুর গঠন উদঘাটন করার চেষ্টা করেছে। এসব প্রয়াসের ফলে মানুষ পদার্থের গঠনের ক্ষেত্রে নানান তথ্য আবিষ্কার করে।

দেখা যাচ্ছে যে, একটি কাঁচের বাল্ব ভেঙ্গে ছোট ছোট অনেক কাঁচের কণায় পরিণত হয়েছে। ঠিক একই ভাবে সব পদার্থকেই ভাঙলে তারা ছোট ছোট কণায় পরিণত হয়। সাধারণত প্রতিটি পদার্থই যৌগিক অবস্থায় থাকে এবং এদের ভাঙার পর এরা মৌলিক পদার্থ অর্থাৎ মৌলে পরিণত হয়। মৌলকে আরো ছোট অংশে ভাগ করা যায় বলে বিজ্ঞানীরা একসময় দাবি করে। মৌলের সে অংশগুলো হচ্ছে প্রোটন, ইলেকট্রন ও নিউট্রন।

মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ

পরমাণুর ভেতরের কণিকাসমূহ

 

প্রতিটি পরমাণুর ভেতরে তিনটি কণা অবশ্যই থাকে। কণাগুলো হচ্ছে- প্রোটন, নিউট্রন এবং ইলেকট্রন।

উপরের চিত্রে কতগুলো নীল এবং হলুদ বল একসাথে রয়েছে। এরা আসলে প্রোটন ও নিউট্রন এবং এদেরকে নিয়েই পরমাণুর নিউক্লিয়াস গঠিত হয়। তোমারা অবশ্যই দেখতে পারছো, নিউক্লিয়াসের বাহিরে কতগুলো লাইনে আরো কিছু হলুদ বল ঘুরাঘুরি করছে, এরা আসলে ইলেকট্রন। চলো এক নজরে প্রোটন, নিউট্রন এবং ইলেকট্রনের সংজ্ঞা দেখে ফেলি,


পরমাণুর কণিকাসমূহ

আমরা পিরিয়ডিক টেবিল এর নাম শুনেছি? না শুনলেও এখন শুনে নেই পিরিয়ডিক টেবিল বা পর্যায় সারণী তে সব মৌলকে তার প্রোটন নাম্বার অনুযায়ী সাজানো হয়েছে।

প্রতিটি মৌলের আলাদা নাম রয়েছে এবং আলাদা বর্ণ বা বর্ণগুচ্ছ দিয়ে তা প্রকাশ করা হয়। আসো পিরিয়ডিক টেবিল এর মৌলগুলোর সাথে পরিচিত হওয়া যাক,

 

পারমাণবিক ও ভর সংখ্যা

বন্ধুরা তোমাদের মোটামুটি পরমাণু কি এবং এর ভেতরের কণিকাসমূহ নিয়ে ধারনা হয়ে গিয়েছে। এবার আসো একটি পরমাণুকে কিভাবে পারমাণবিক সংখ্যা এবং ভর সংখ্যার মাধ্যমে প্রকাশ করা যায় তা দেখে নেই,

আমরা খুব সহজেই ভর সংখ্যা এবং পারমাণবিক সংখ্যার সাহায্যে কোন পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা বের করতে পারি। যেমন, Al পরমাণুর কথা ভাবা যাক,

চলো দেখি কী কী শিখলে ঝটপট উত্তর দিয়ে দাও!