ভৌত রাশি ও পরিমাপ

সদ্য জেএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে নবম শ্রেণীতে উঠেছে রায়া। নতুন বছরে নতুন বই হাতে পাওয়ার পর সে পদার্থবিজ্ঞান বইটি খুলে পড়া শুরু করলো। প্রথমেই সে দেখতে পেলো পদার্থবিজ্ঞান পরিচিতি। আরো পড়ার পর সে জানতে পারলো, পদার্থবিজ্ঞানই হলো বিজ্ঞানের প্রাচীনতম শাখা। অন্য সকল ক্ষেত্রের সাথে পদার্থবিজ্ঞান যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।

সে আরো জানতে পারলো, পদার্থবিজ্ঞানের রয়েছে দুইটি মূল প্রকারভেদ। প্রথমটি হলো ক্ল্যাসিকাল পদার্থবিজ্ঞান এবং দ্বিতীয়টি হলো আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান।

ধীরে ধীরে পরিচিতি পর্ব শেষে পদার্থবিজ্ঞানের উত্থান সম্পর্কে পড়া শুরু করেছে রায়া। ঠিক যেমন প্রত্যেক দেশ কিংবা রাজ্যের নিজস্ব একটি বিপ্লবের বা উত্থানের ইতিহাস আছে, তেমনি পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে সেটি হলো ইউরোপীয় রেঁনেসার যুগ।

Atom

এবার রায়া পদার্থবিজ্ঞানকে আরো ভালোভাবে বুঝতে নিজের আশেপাশের বস্তুগুলো নিয়ে একটু চিন্তা করে। বিভিন্ন বিজ্ঞানীর বিভিন্ন মতবাদ, আবিষ্কার এবং আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে জানতে পারলো সে।

ড্রপডাউনগুলোতে ক্লিক করে দেখে নাও বিস্তারিত

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা

মোবাইলের ডানে বামে swipe করে দেখে নাও পুরো টাইমলাইনটি



এবার রায়া দৈনন্দিন জীবনের কিছু ঘটনা প্রবাহ দ্বারা বুঝতে শুরু করে পদার্থবিজ্ঞানের সম্পৃক্ততা। যেমন, সে চিন্তা করে – শীতের দিনে যখন দুই হাত ঘষা হয়, সেখানে হাতের তালুতে কী করে তাপ উৎপন্ন হচ্ছে? এর পেছনে রয়েছে স্থির বিদ্যুৎ। আবার এইযে দিন থেকে রাত হওয়া, রাত থেকে দিন- এর পেছনেও রয়েছে পৃথিবীর আবর্তন। কোন জিনিসকে উপর থেকে ফেলে দিলে তা যে নিচেই পড়বে, শূন্যে ভেসে থাকবে না, এই ব্যাপারটিও ঘটছে অভিকর্ষজ ত্বরণের জন্য।

কাজেই রায়া বুঝতে পারে, পদার্থবিজ্ঞানের এই দৈনন্দিন ঘটনাগুলোরই ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে। প্রকৃতি শত- সহস্র বছর আগে যেই ব্যাপারগুলোকে রহস্য ভাবতো, সেগুলোই যুগ যুগান্তর পরে পদার্থবিজ্ঞানের ব্যাখ্যা পেয়ে হয়ে গেছে মীমাংসিত।

ভৌত রাশি ও তার পরিমাপ

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে তো রায়া অনেক জানলো। এবার সে রাশি ও পরিমাপ সম্পর্কে বিশদ ধারণা পাচ্ছে। এখানে রাশি বলতে কিন্তু সেই রাশি বোঝানো হচ্ছে না যার রাশিফল আমরা পত্র পত্রিকায় পড়ে থাকি। আমাদের চারপাশে যা কিছুই পরিমাপযোগ্য তা ই হলো রাশি।

এবার নিশ্চয়ই প্রশ্ন জাগতে পারে, কী কী পরিমাপযোগ্য রাশি আছে আমাদের চারপাশে? পরিমাপযোগ্য মোট সাতটি মৌলিক রাশি চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞানীরা।

এবার চিন্তা করে দেখো, হরহামেশাই কিন্তু আমরা বলছি অমুক জায়গা থেকে তমুক জায়গায় যেতে এর ১০ মিনিট লাগবে। এখান থেকে ওখানকার দূরত্ব ৪০ মিটার। এই মিনিট, মিটার এগুলো আসলে কী? এগুলো হলো পরিমাপের বিভিন্ন একক


ভৌত রাশি ও পরিমাপ সম্পর্কে আরো জানতে আমাদের ভিডিও প্লেলিস্ট দেখতে ভুলো না!


একক সম্পর্কে জানার পর এবার চলো জানা যাক, মাত্রা ও প্রতীক সম্পর্কে। মাত্রা হলো মূলত মৌলিক রাশি দ্বারা এককের প্রকাশ এবং প্রতীক। ধরো, রায়ার কাছে একই রকম দেখতে দুটি নোটবুক আছে। একটি সে ব্যবহার করে গণিতের জন্য, অন্যটি ইংরেজির জন্য। এবার সে দুটিকে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করার জন্য ইংরেজির নোটবুকে একটি কার্টুন এঁকে রাখলো। যা প্রতীক হিসেবে কাজ করে তাকে নোটবুক চেনাতে সাহায্য করবে।

পরীক্ষার খাতায় মার্জিন টানার কাজের সময় তো অনেক রুলার ব্যবহার করেছে রায়া। সে দেখতে পেলো ঠিক রুলারের মতো দেখতেই দাগ কাটা কিছু যন্ত্র আছে যেগুলো আরো ছোট কিংবা সূক্ষ্ম জিনিস পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।

(+) চিহ্নিত স্থানে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত


পরিমাপের অনিশ্চয়তা বা ত্রুটি

ড্রপডাউনগুলোতে ক্লিক করে দেখে নাও বিস্তারিত


চলো এবার দিয়ে ফেলি ছোট একটি কুইজ!


পুরো অধ্যায়টি পড়ে রায়ার পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক ভিত্তি সম্পর্কে বেশ ভালোই ধারণা হয়েছে। সামনের অধ্যায়গুলোও সে খুব জলদিই পড়ে ফেলবে। আর তোমরা এই স্মার্টবুকটি তোমাদের বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলো না যেন!