এসএসসি জীববিজ্ঞান

জীবনপাঠ

জীববিজ্ঞান বিজ্ঞানের অন্যতম একটি মৌলিক শাখা। BIOLOGY শব্দটি এসেছে দুটি ল্যাটিন শব্দ BIOS এবং LOGOS থেকে। বিজ্ঞানের যে শাখায় জীবের গঠন, জৈবনিক ক্রিয়া এবং জীবন ধারণ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় তাকেই জীববিজ্ঞান বলে।

জীববিজ্ঞানের শ্রেণিবিভাগ

জীববিজ্ঞান প্রধানত দুই প্রকার।

১. উদ্ভিদবিজ্ঞান

২. প্রাণীবিজ্ঞান

আবার কোন দিক দিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে সেটার উপর ভিত্তি করে জীববিজ্ঞান দুই প্রকার।

১. ভৌত জীববিজ্ঞান (জীববিজ্ঞানের যে শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় তা-ই ভৌত জীববিজ্ঞান)

২. ফলিত জীববিজ্ঞান (জীববিজ্ঞানের যে শাখায় জীবন সংশ্লিষ্ট প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে ফলিত জীববিজ্ঞান বলে)।

ভৌত জীববিজ্ঞান

ফলিত জীববিজ্ঞান

১। প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা

২। জীবপরিসংখ্যানবিদ্যা

৩। পরজীবিবিদ্যা

৪। মৎস্যবিজ্ঞান

৫। কীটতত্ত্ব

৬। অণুজীববিজ্ঞান

৭। কৃষিবিজ্ঞান

৮। চিকিৎসাবিজ্ঞান

৯। জীনপ্রযুক্তি

১০। প্রাণরসায়ন

১১। মৃত্তিকাবিজ্ঞান

১২। পরিবেশবিজ্ঞান

১৩। সমুদ্রবিজ্ঞান

১৪। বনবিজ্ঞান

১৫। জীবপ্রযুক্তি

১৬। ফার্মেসি

১৭। বনপ্রাণিবিদ্যা

১৮। বায়োইনফরমেটিক্স

শ্রেণীবিন্যাস

অসংখ্য প্রাণী এবং উদ্ভিদের অস্তিত্ব আমাদের এই পৃথিবীতে। বিরাট এই জীবগোষ্ঠী এবং উদ্ভিদগোষ্ঠীকে স্বল্প সময়ে এবং অল্প পরিশ্রমে জানার জন্যে জীববিজ্ঞানে একটি আলাদা, স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যাকে শ্রেণীবিন্যাস বা ট্যাক্সোনমি বলে। এত্তগুলো উদ্ভিদ এবং প্রাণীর মধ্যে অনেকগুলো রয়েছে প্রায় একই বৈশিষ্ট্যধারী। মূলত এই ব্যাপারটাকে কাজে লাগিয়ে সুইডিশ প্রকৃতিবিদ ক্যারোলাস লিনিয়াস (১৭০৭-১৭৭৮) শ্রেণীবিন্যাসের পথটাকে অনেকটাই সহজ করে দিয়েছেন। 

পারস্পরিক সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্যের উপর ভিত্তি করে জীবকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করাকে শ্রেণীবিন্যাস বলে।