জীবনপাঠ

জীবজগৎ


ক্যারোলাস লিনিয়াস জীবজগৎকে প্রাণিজগৎ এবং উদ্ভিদজগৎ নামে দুটি রাজ্য বা কিংডমে বিভক্ত করেন।পরে, বিজ্ঞানী রবার্ট হুইটটেকার ১৯৬৯ সালে জীবজগৎকে ৫ টি রাজ্যে (কিংডম) বিভক্ত করে। আরো পরবর্তীকালে, ১৯৭৪ সালে বিজ্ঞানী লিন মারগুলিস হুইটটেকার এর প্রস্তাবকে হালকা পরিমার্জিত করে জীবজগৎকে ২ টি সুপার কিংডমে বিভক্ত করেন এবং হুইটটেকারের ৫ টি কিংডমকে এই দুই সুপার কিংডমের আওতাভুক্ত করেন।

জীবজগতের শ্রেণীবিন্যাস



প্রোক্যারিওটিক জীবের কিংডম

ইউক্যারিওটিক জীবের কিংডম


শ্রেণীবিন্যাসের বিভিন্ন ধাপ

একটি জীবকে প্রজাতি পর্যন্ত বিন্যাসের ক্ষেত্রে মূলত ৭টি ধাপ আছে। সর্বোচ্চ হলো জগৎ ও সর্বনিম্ন একক হলো প্রজাতি।  

(+) চিহ্নিত অংশে ক্লিক করে জেনে নাও বিস্তারিত। মোবাইল এর ক্ষেত্রে স্ক্রিন rotate করে আরো  ভালভাবে দেখে নাও! 

দ্বিপদ নামকরণ

দ্বিপদ নামকরণ বলতে বোঝায় দুটি পদের সমন্বয়ে উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নামকরণের পদ্ধতি। এই নামকরণ ল্যাটিন ভাষায় করা হয় এবং এর দুইটি অংশ থাকে। গণ নামের শেষে প্রজাতি পদ যুক্ত করে প্রতিটি জীবের নামকরণের পদ্ধতিকে দ্বিপদ নামকরণ বলে। এই নামকে বৈজ্ঞানিক নামও বলা হয়। Species Plantarum গ্রন্থের দশম সংস্করণে (১৭৫৮) ক্যারোলাস লিনিয়াস জীবের নামকরণের ক্ষেত্রে দ্বিপদ নামকরণ নীতি প্রবর্তন করেন।


কয়েকটি জীবের দ্বিপদ নাম

১। গোলআলু

২। পিঁয়াজ

৩। ধান

৪। জবা

৫। পাট

৬। আম

৭। কাঁঠাল

৮। শাপলা

৯। রুই মাছ

১০। কাতলা

১১। সিংহ

১২। বেঙ্গল টাইগার

১৩। ম্যালেরিয়া জীবাণু

১৪। আরশোলা

১৫। মৌমাছি

১৬। ইলিশ

১৭। কুনোব্যাঙ

১৮। দোয়েল

১৯। মানুষ

২০। কলেরা জীবাণু

২১। গম

২২। ভুট্টা

২৩। মসুর

২৪। ছোলা

২৫। মটর

২৬। সোনামুগ

২৭। মাসকলাই

২৮। খেসারী

২৯। সয়াবিন

৩০। তিল

ছবির সাথে বৈজ্ঞানিক নাম মিলাও!


পুরো অধ্যায়টি আরও ভালো ভাবে বুঝে ফেলতে ভিডিওটি দেখে নাও!

 

সঠিক উত্তরগুলো মিলাও!

 


আশা করি তোমরা সবাই বুঝে গিয়েছো জীবন পাঠ নিয়ে। তোমার বন্ধুদের সাথেও তাহলে শেয়ার করে নাও এই স্মার্টবুকটি।